বরিশাল অফিস :: ভালমানের চারা রোপন সহ সঠিক বালাই ও সার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পারলে দু বছরের মাথায়ই প্রতিটি গাছে বছরে ২শ’র ওপরে মালটা ধরে থাকে। তবে ভিয়েতনামী মালটায় বছরে দু,বার ফলন আসায় এর আবাদ আরো বেশী লাভজনক বলে জানা গেছে। বরিশালের বাজারে খুচরা পর্যায়ে মৌসুমের শুরুতে এবার দেশী মালটা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও শেষে তা ১৪০ থেকে দেড়শ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
তবে কৃষক পর্যায়ে পাইকাররা মৌসুমের শুরুতে ৪০ টাকায় এবং শেষ পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৯০ টাকা দরে মালটা কিনছেন।কৃষিবিদদের মতে সঠিক পরিচর্যা করলে প্রতিটি গাছ থেকে মৌসুমে ৪০ কেজি পর্যন্ত মালটা উৎপাদন সম্ভব। এতে করে প্রথম বছরেই জমি তৈরী, চারা সংগ্রহ এবং সার ও বালাই ব্যবস্থাপনা সহ পরিচর্র্যার ব্যয় তুলে আনা সম্ভব। তবে আরো কিছুটা ভাল দাম পেলে উৎপাদকদের জন্য তা যথেষ্ট উৎসাহব্যঞ্জক হতে পারে বলেও মনে করছেন মাঠ পর্যায়ের কৃষিবিদরা।
চারা ও কলম সহজলভ্য করা সহ আবাদ প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে না পৌঁছায় এখনো দক্ষিণাঞ্চলের কৃষক পর্যায়ে মালটার আবাদ সম্পর্কে যথাযথ বার্তা পৌঁছছে না বলে মনে করছেন কৃষিবিদরা। তবে এ ফল আবাদ যতটা সম্প্রসারণ হবার কথা, ততটা না হলেও গত ২-৩ বছরে পরিস্থিতির আশাব্যঞ্জক উন্নতি হয়েছে বলে ডিএই’র বরিশাল কৃষি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক জানিয়েছেন।





