ফরিদপুর-৪ আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাসের প্রতিবাদে ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক আবারও অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে স্থানীয় জনতা। মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি পালনের পর তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। তবে বুধবার সকাল ৮টা থেকে নতুন করে অবরোধ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
সকাল থেকে ভাঙ্গা গোলচত্বরসহ অন্তত ৯টি স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছ ফেলে মহাসড়কে অবস্থান নেয় হাজারো মানুষ। এতে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যান চলাচল বন্ধ হয়ে প্রায় ২৫ কিলোমিটারজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন কয়েক হাজার যাত্রী।
অবরোধ চলাকালে মহাসড়ক প্রকম্পিত হয় ‘ভাঙ্গার এক ইঞ্চি মাটিও নগরকান্দার সঙ্গে মিশতে দেওয়া হবে না’ এবং ‘রক্ত লাগলে রক্ত নে, ভাঙ্গাবাসীকে মুক্তি দে’ স্লোগানে।
প্রসঙ্গত, গত ৪ সেপ্টেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ৩০০ আসনের সীমানা চূড়ান্ত করে নির্বাচন কমিশন। তালিকায় ফরিদপুর-৪ আসনের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে কেটে ফরিদপুর-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ সিদ্ধান্তে স্থানীয় জনতা ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয়।
এ বিষয়ে আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিদ্দিক মিঞা বলেন, “দুটি ইউনিয়ন কেটে নেওয়ার আগে আমাদের অবহিত করা উচিত ছিল। ফরিদপুর-৪ আসনে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।”
এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫





