ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, সংস্কার ও দৃশ্যমান বিচার ছাড়া নির্বাচন করলেই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. ইউনূসকে জনগণের কাছে দায়ত্রস্ত হতে হবে। তিনি একই সঙ্গে ড. ইউনূস একপক্ষীয়ভাবে যা ঘোষণা করেছেন তা বৈধ নয় বলে মন্তব্য করেন।
রোববার বরিশাল টাউন হল চত্বরে জেলা ও মহানগর শাখার আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, “তিনটি প্রতিশ্রুতি ছিল—সংস্কার, বিচার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। সংস্কার ছাড়া কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।” তিনি আগেই জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেন।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, যদি নির্বাচনের পদ্ধতি হিসেবে সংখ্যানুপাতিক (প্রোপোরশনাল রেপ্রেজেন্টেশন — পিআর) পদ্ধতি নয়, তবে দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। তিনি পিআর পদ্ধতির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বলেন, এই পদ্ধতিতে কালো টাকা ও পেশিশক্তির দৌরাত্ম্য কমে যাবে এবং সব রাজনৈতিক দলকে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে।
এছাড়াও তিনি বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে সংবিধানবিরোধী বলায় উষ্মা প্রকাশ করেন এবং ১৯৭২ সালের সংবিধান জনগণের কল্যাণে ব্যর্থ হওয়ায় সংবিধান পরিবর্তন ও সংস্কারের দাবি উত্থাপন করেন। মুফতি ফয়জুল করীম আরও বলেন, “বিশ্বের ৯১টিরও বেশি দেশ পিআর পদ্ধতি অনুসরণ করে সুফল পাচ্ছে; বিশেষত স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোতে এই পদ্ধতি পুরোপুরি কার্যকর।”
গণসমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দিন, মাওলানা কাজী মামুনুর রশীদ খান ইউসুফী ও রাসেল সরদার মেহেদী।
এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫





